ঘরে ১৭/১৮ বছর বয়সী মেয়ে আছে।
আশেপাশের মানুষজন বলবে,
"মেয়ে তো বড় হয়েছে , বিয়ে দেবেন না?
.
ঘরে ২৫/২৬ বছর বয়সী মেয়ে আছে।
আশেপাশের মানুষজন বলবে,
"মেয়ের কি কোন সমস্যা? বিয়ে হয় না
কেন?"
.
ঘরে ১৫/১৬ বছর বয়সী বিবাহিত মেয়ে
আছে।
আশেপাশের মানুষজন বলবে,
"মেয়ের তো বয়সই হয়নি , এই বয়সে বিয়ে
দিলেন?
প্রেম টেম করছিল? নাকি পালিয়ে
গিয়েছিল?"
.
ঘরে চাকরিজীবী অবিবাহিতা মেয়ে
আছে।
আশেপাশের মানুষজন বলবে,
"শেষ বয়সে মেয়ের আয় খাচ্ছেন
ঠ্যাংয়ের উপর ঠ্যাং তুলে।"
.
ঘরে চাকরিজীবী বউ আছে।
আশেপাশের মানুষজন বলবে,
"ঘরের বউকে ঘরে রাখতে হয়,
বাইরে পাঠিয়ে বউ খারাপ করবেন না।"
.
ঘরে ডিভোর্সি কিংবা বিধবা মেয়ে
থাকলে তো
কথাই নাই। একেবারে সোনায় সোহাগা।
তাদের মুখ থেকে রসের আলাপ আর
মাটিতে
পড়ে না।
গ্রামের অবস্থা আরো খারাপ। সমাজের
কিছু
কিছু
মানুষই থাকে যারা
নিজের খেয়ে পরের মোশ চরায়।
.
এই আশেপাশের মানুষগুলাকেই তখন খুঁজে
পাওয়া
যায় না যখন ইভটিজিং এর জ্বালায়
মেয়েটা
স্কুলে যেতে পারে না।
.
দেনা পাওনা বনিবনা না হওয়ার যখন
বিয়ে
ভেঙে যায় তখন তাদের পিরিত জাগে না।
.
তারা শো দেখে, মজা নেয়।
অমুকের বাড়ির বউ যখন প্রেগন্যান্ট হয়ে
হাসপাতালে ভর্তি থাকে তখন এক ব্যাগ
রক্ত
নিয়েও
তারা ছুটে আসে না।
অথচ আমরাই সামাজিক শ্রেষ্ঠ জীব,
এদের নিয়েই আমরা সমাজ তৈরি করেছি।
.
আমাদের সমাজের ম্যাক্সিমাম মানুষ
আরেকজনকে খোঁচা দিয়ে মজা পায়।
সবসময় মজা নেওয়ার আশায় বসে থাকে।
এই সমাজে, মেয়েমানুষ হলো কটন বাডসের
মত। তাদেরকে দেখলেই সবাই শুধু খোঁচাতে
চায়!
তাই বলছি আমরা আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি
একটু পরিবর্তন করি।
তাহলে সমাজে শান্তি আসতে বেশি সময়
লাগবে না।
আশেপাশের মানুষজন বলবে,
"মেয়ে তো বড় হয়েছে , বিয়ে দেবেন না?
.
ঘরে ২৫/২৬ বছর বয়সী মেয়ে আছে।
আশেপাশের মানুষজন বলবে,
"মেয়ের কি কোন সমস্যা? বিয়ে হয় না
কেন?"
.
ঘরে ১৫/১৬ বছর বয়সী বিবাহিত মেয়ে
আছে।
আশেপাশের মানুষজন বলবে,
"মেয়ের তো বয়সই হয়নি , এই বয়সে বিয়ে
দিলেন?
প্রেম টেম করছিল? নাকি পালিয়ে
গিয়েছিল?"
.
ঘরে চাকরিজীবী অবিবাহিতা মেয়ে
আছে।
আশেপাশের মানুষজন বলবে,
"শেষ বয়সে মেয়ের আয় খাচ্ছেন
ঠ্যাংয়ের উপর ঠ্যাং তুলে।"
.
ঘরে চাকরিজীবী বউ আছে।
আশেপাশের মানুষজন বলবে,
"ঘরের বউকে ঘরে রাখতে হয়,
বাইরে পাঠিয়ে বউ খারাপ করবেন না।"
.
ঘরে ডিভোর্সি কিংবা বিধবা মেয়ে
থাকলে তো
কথাই নাই। একেবারে সোনায় সোহাগা।
তাদের মুখ থেকে রসের আলাপ আর
মাটিতে
পড়ে না।
গ্রামের অবস্থা আরো খারাপ। সমাজের
কিছু
কিছু
মানুষই থাকে যারা
নিজের খেয়ে পরের মোশ চরায়।
.
এই আশেপাশের মানুষগুলাকেই তখন খুঁজে
পাওয়া
যায় না যখন ইভটিজিং এর জ্বালায়
মেয়েটা
স্কুলে যেতে পারে না।
.
দেনা পাওনা বনিবনা না হওয়ার যখন
বিয়ে
ভেঙে যায় তখন তাদের পিরিত জাগে না।
.
তারা শো দেখে, মজা নেয়।
অমুকের বাড়ির বউ যখন প্রেগন্যান্ট হয়ে
হাসপাতালে ভর্তি থাকে তখন এক ব্যাগ
রক্ত
নিয়েও
তারা ছুটে আসে না।
অথচ আমরাই সামাজিক শ্রেষ্ঠ জীব,
এদের নিয়েই আমরা সমাজ তৈরি করেছি।
.
আমাদের সমাজের ম্যাক্সিমাম মানুষ
আরেকজনকে খোঁচা দিয়ে মজা পায়।
সবসময় মজা নেওয়ার আশায় বসে থাকে।
এই সমাজে, মেয়েমানুষ হলো কটন বাডসের
মত। তাদেরকে দেখলেই সবাই শুধু খোঁচাতে
চায়!
তাই বলছি আমরা আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি
একটু পরিবর্তন করি।
তাহলে সমাজে শান্তি আসতে বেশি সময়
লাগবে না।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন